২৫ সালের মধ্যে দেশে আরো ৫ বিলিয়ন কোম্পানি
২০২৫ সালের মধ্যে দেশে আরো ৫টি বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ গড়তে কাজ করছে সরকারের আইসিটি বিভাগ। শনিবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টের তৃতীয় আসরের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা অনুাষ্ঠোনে সভাপতির বক্তব্যে এ তথ্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
একইসঙ্গে স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অল্পদিনের মধ্যেই ‘সর্টাটআপ পলিসি’; ‘ফান্ড অব ফান্ড’; ঝুঁকি শেয়ারে স্টার্টআপ বাংলাদেশ-কে ‘গ্যারান্টার’ হওয়ার প্রস্তাব দেবেন বলে জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
‘ই-জিপি’র কল্যাণে বাংলাদেশে এখন টেন্ডার বাক্স ছিনতাই হয় না’ উল্লেখ করে জুনােইদ আহমেদ পলক বলেন, এই সল্যুশন দিয়ে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানও বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় দলীয় সংস্কৃতি তৈরি করে সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রেই রেগুলেট না করে ‘ডিরেগুলেট’ করা হয়েছে।
উবারের মতো সফল উদ্যোগের সূতিকাগার যুক্তরাষ্ট্রের ‘উই ওয়ার্ক’ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকেই আইসিটি বিভাগের উদ্যোক্তা সংস্কৃতির এই উদ্যোগ বলে জানান পলক।
তিনি বলেন, গত ছয় বছরে ১০ লাখ করে অনুদান দেয় ৪০০টি স্টার্টআপের মধ্যে ৩০ শতাংশই এখনো টিকে আছে। এর ১০ শতাংশ সিড স্টেজ থেকে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে। গত দুই বছরে স্টার্টআপ বাংলাদেশ থেকে যতগুলো প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে তাদের বাজর মূল্য দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্জন আইসিটি পরিবারের সম্মিলিত সফলতার প্রায়স বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব সামসুল আরেফিন জানান, কোনো স্টার্ট আপের উদ্যোগ সম্ভাবনাময় হলে সেই উদ্যোগ পুঁজিবাজারে আসার জন্য আইসিটি বিভাগ গ্যারান্টার হবে। এজন্য আমি এরই মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। একইভাবে ব্যাংক ঋণের জন্যও আইসিটি বিভাগ গ্যারান্টার হতে পারে।
এছাড়াও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার ও স্টার্ট আপ বাংলাদেশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
সামি আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ কম সময়ের মধ্যে অনেক সফলতা এসেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ৫টি এবং ৪১ সালের মধ্যে ৫০টির বেশি ইউনিকর্ন হবে। বিচারের সময় মনে হয়েছে, যারা বিজয়ী হয়নি ইক্যুইটি বিনিয়োগ করবো। এখানে ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। পুরোটাই শিক্ষণীয়। তাই এটাই শেষ নয়।
স্বাগত বক্তব্য দেন আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক আলতাফ হোসেন। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তুলে ধরে বিগ সহ-সমন্বয়ক স্বিদ্ধার্ত গোস্বামী জানান, প্রাথমিক ভাবে জমা পড়া ৭৭ হাজার আবেদনের মধ্যে ২২ শতাংশই নারী উদ্যোক্তা। কেবল দেশই নয় কানাডা থেকেও উড়ে এসে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। কাজেই বিগ এখন একটি ব্র্যান্ড।







